শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫

সমন্বিত সরকারি চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার দাবি চাকরি প্রার্থীদের / আহ্বান কর্তৃপক্ষকে

 



সমন্বিত সরকারি চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার দাবি চাকরি প্রার্থীদের / আহ্বান কর্তৃপক্ষকে

বর্তমানে সরকারি চাকরি নেওয়ার পদ্ধতি ও ধরণ পরিবর্তনের দাবি চাকরি প্রার্থীদের। এর যৌক্তিক কারণও বিদ্যমান রয়েছে প্রেক্ষাপটে। বর্তমানে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে ব্যাংকের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।এতে চাকরি প্রার্থী ও প্রতিষ্ঠানের যেমন সময়  বেঁচে যাচ্ছে তেমনি  যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি পাচ্ছে। এখন  সময় এসেছে অভিন্ন প্রশ্ন'র মাধ্যমে বিভাগীয় শহরে বা আঞ্চলিক কেন্দ্রে সরকারি চাকরির পরীক্ষা নেওয়া। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি বিভিন্ন দফতরের চাহিদার ভিত্তিতে শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, তার জন্য পরীক্ষার অনুষ্ঠান করা সরকারের পক্ষে কঠিন কোন ব্যাপার নয়। এসব কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়োগ'র জন্য "পরীক্ষা ও প্রশ্ন বোর্ড " নামক দফতর প্রতিষ্ঠা করতে পারে।যাদের কাজ হবে সরকারি চাকরির প্রশ্ন ও নিয়োগ সম্পন্ন করা।

বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২

Azad is a self-reliant college student in dragon farming in Bandarban

 Azad is a self-reliant college student in dragon farming in Bandarban


.


 BK Bichitra, Bandarban District Representative:

 Md. has achieved great success by commercially cultivating dragon fruit rich in various qualities.  Azad (21) is a college student from Bandarban. His garden is located on a hill slope in Chaingya Para of Taracha Union in Rawangchari, bordering Bandarban Sadar.


 Currently, every tree in his garden is adorned with yellow and red dragon fruit.


 Farmers of the surrounding areas have already expressed interest in the cultivation of this foreign fruit due to the ease of cultivation and good demand in the market in addition to less disease and pest.

 Md. Azad takes care of the garden himself, in addition to teaching, Azad, a student and a half year ago, planted two hundred dragon seedlings on the 10th century land.


 After their proper care, every tree has borne fruit this time.  And the surrounding people are now crowding to see the dragon farm.


 Many people want to know how we have been able to produce results in a short period of time.


 Saidi, a local resident, said that the dragon farm is very beautiful and tidy.  Every tree bears fruit.  Besides, the price of dragon fruit is also very good in the market.  That's why he is also thinking how to start its cultivation.

শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০

পরিসংখ্যান ব্যুরোর, পরিসংখ্যান সহকারীর পদের আবেদন প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা।



বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক ১২ জুলাই ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে জারিকৃত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরিসংখ্যান সহকারী, জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী, ইনুমারেটর এবং এডিটিং অ্যান্ড কোডিং অ্যাসিসটেন্ট পদে অাবেদন করার যোগ্যতা কী হবে?

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, "কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হইতে পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিতসহ অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেনী বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।"

ব্যাখ্যাঃ পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিতে স্নাতক (সম্মান) এখানে বাধ্যতামূলক নয়। স্নাতক পর্যায়ে যে কোন বর্ষে এই তিনটি হতে কমপক্ষে একটি কোর্স থাকা বাধ্যতামূলক।

অর্থাৎ ইংরেজি বিভাগের সিলেবাসে কোন বর্ষে পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিতের কোন কোর্স থাকে না বলে এই বিভাগের প্রার্থীগণ অাবেদন করতে পারবেন না। কিন্তু ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্নাতক সিলেবাসে পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিত কোর্স থাকে বলে এই বিভাগের প্রার্থীগণ অাবেদন করতে পারবেন।

এখানে তিনটি বিভাগের কথা বলা হয়নি। বরং যেকোন বিভাগ কিন্তু উল্লিখিত তিনটির কমপক্ষে একটি কোর্সের কথা বলা হয়েছে।  যারা স্নাতক (সম্মান) এর পরিবর্তে সমমানের কোন ডিগ্রি নিয়ে অাবেদন করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একইভাবে বিবেচ্য হবে। তবে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেনী বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক/সমমমানের ডিগ্রি হতে হবে।

-----
মোহাম্মদ কামাল হোসেন
পরিসংখ্যান কর্মকর্তা
বিসিএস (পরিসংখ্যান)
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

মানব চরিত্র ও আমাদের সমাজ বাস্তবতা

মানব চরিত্র ও আমাদের সমাজ বাস্তবতা

প্রতেকটা গোষ্ঠী বা কমিউনিটির কিছু গোষ্ঠীগত ভালো মন্দ দিক আছে। সমাজসেবার ক্ষেত্রে যেমন রয়েছে ভালো তেমনি আছে খারাপ মানুষের অভাব নাই। প্রত্যেকের একটি আলাদা বৈশিষ্ঠ বিদ্যমান আছে। যেমন শিক্ষকের রয়েছে শ্রেণিগত ভাল-মন্দ বৈশিষ্ট্য। শিক্ষার্থীদেরও তেমনি রয়েছে কিছু নিজস্ব ধরনের ভাল-মন্দ বৈশিষ্ট্য। নারীপক্ষের রয়েছে কিছু বিশেষ নারীসুলভ সদগুণ বা বৈশিষ্ট্য। আবার রয়েছে কিছু নারীসুলভ সাধারণ সমস্যা। এর পাশাপাশি পুরুষদেরও রয়েছে তাদের নিজেদের মতো করে কিছু ভালমন্দ বৈশিষ্ট্য। স্বামীদেরও আছে কিছু ভাল দিক। তেমনি কিছু খারাপ দিক বৈকি। স্ত্রীদেরও আছে নিজস্ব ধরনের কিছু ভাল ও মন্দ। শাসকের তরফে আছে অনস্বীকার্য কিছু কল্যাণকর দিক। তেমনি রয়েছে তাদের সাধারণ কতগুলো অপকর্ম-প্রবণতা। শাসিত বা জনগণের রয়েছে কিছু ভাল গুণ। আবার রয়েছে কিছু খারাপ চরিত্র।

জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সময় ও ভূগোল নিরপেক্ষভাবে সামগ্রিকভাবে দুনিয়ার প্রত্যেকটা সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীর নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। অপরাপর শ্রেণী বা গোষ্ঠীর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই কমন কমিউনিটি বিহেভিয়ার বা টেনডেনসির কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য ইতিবাচক তথা কল্যাণজনক এবং কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য নেতিবাচক তথা ক্ষতিকর হিসাবে ফুটে উঠে। এক পক্ষের কাছে যা নিতান্ত স্বাভাবিক ও যুক্তি সংগত, অপর পক্ষের কাছে, গঠনগত ভিন্নতার কারণে তা একেবারেই অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক হিসাবে মনে হতে পারে। অথচ, একই সমাজের সদস্য হিসাবে ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণী বা গোষ্ঠীর সবাইকে অন্য সবার সাথে মিলেমিশে জীবনযাপন করতে হয়।
সে হিসাবে প্রত্যেকের উচিত স্বীয় গোষ্ঠীগত ত্রুটি সম্পর্কে সচেতন থেকে ঐ ধরনের মন্দ বৈশিষ্ট্যসমূহ হতে গা বাঁচিয়ে চলা। নিজেকে ভাল মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার এটাই পদ্ধতি। নিজের শ্রেণীগত ত্রুটির বিষ-বাষ্প হতে আত্মরক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে। ডাক্তার-রোগী, বাড়ীওয়ালা-ভাড়াটিয়া, শিক্ষক-ছাত্র, নারী-পুরুষ, স্বামী-স্ত্রী এ রকমের নানাবিধ দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের যূথবদ্ধতার মাধ্যমেই সমাজ গড়ে উঠে, টিকে থাকে, পুষ্ট হয়।
আদর্শ সমাজ হলো সেইটা যেখানে প্রত্যেকে নিজের শ্রেণীগত ভাল-মন্দ সম্বন্ধে সচেতন থাকে। সম্ভাবনা ও সদগুণকে বিকশিত করার চেষ্টা করে এবং বিপরীত বৈশিষ্ট্য তথা স্বীয় গোষ্ঠীগত মন্দ বৈশিষ্ট্যকে যথসম্ভব দমন করে।
বিশেষ করে, নারী-পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এইটা খেয়াল রাখা জরুরী। নারীরা যদি নিজেদের শেষ পর্যন্ত নারীই ভাবেন, আর পুরুষেরা নিজেদেরকে আলটিমেইটলি পুরুষই মনে করেন, তাহলে মানবতার কী অবস্থা দাঁড়াবে? পুরুষও নয়, নারীও নয়, এমন কোনো মানুষ তো নাই। হিজড়ারা কোনো লিঙ্গ-পক্ষ নয়। সেটি তাদের গঠনগত ত্রুটি।
নারীদের ভাবতে হবে, তারা আগে মানুষ, এরপর নারী। পুরুষদেরও ভাবতে হবে, তারা প্রথমত: মানুষ। এরপর তারা পুরুষ। এভাবে ভাবলেই মানুষ হিসাবে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আমরা সচেতন হতে পারবো। সমাজটা সুস্থভাবে গড়ে উঠবে। এগিয়ে যাবে।
মোটেরওপরে নানা সামাজিক প্যারামিটারে কম-বেশি নির্যাতিত শ্রেনী হিসাবে নারীরা, বিশেষ করে স্ত্রী হিসাবে নারীরা নিজেদের অধিকারের ব্যাপারে যতটা সোচ্চার ও সচেতন, নিজ নিজ দায়িত্বের ব্যাপারে ততটাই অসচেতন ও সুবিধাপন্থী। যে কোনো অধিকার-বঞ্চিত শ্রেণী বা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। ব্যতিক্রমীরা আবার প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠবেন না যেন।
দায়িত্বের সাথে অধিকারের সম্পর্ক প্রাকৃতিকভাবে সমানুপাতমূলক ও অবিচ্ছেদ্য। অর্থাৎ দায়িত্বপালন যত বেশি হবে অধিকার লাভের সম্ভাবনাও তত বেশি হবে। এই আপাত: সত্যের বিপরীত সত্য হলো, কেউ কারো অধিকার এমনিতেই দিয়ে দেয় না। বিশেষ করে, পিছিয়ে পড়া, অনগ্রর বা দুর্বল শ্রেণীকে নিজ নিজ ন্যায্য অধিকার সংগ্রাম করেই আদায় করতে হয়। এ কাজে সর্বাগ্রে নিজ দায়িত্ব পালনে স্বতঃই এগিয়ে যাওয়া ও নিজ অধিকারের সীমা সম্পর্কে অবগত থাকা জরুরী। অর্থাৎ, ন্যায্য অধিকার দাবীর বিপরীতে অপরিহার্য দায়িত্বও যথাসম্ভব পালন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, একতরফা give কিংবা take-এর কোনোটাই বাস্তবসম্মত নয়। চাওয়া-পাওয়ার ন্যূনতম সমন্বয় ছাড়া কোনো সামাজিক সম্পর্ক সুস্থ ও সুষ্ঠুভাবে টিকে থাকতে পারে না।
ওই যে শ্রেণী চরিত্রের কথা বললাম। মানুষ সাধারণত নিজের দুর্বলতাটা দেখে না। এর বিপরীতে, অপরপক্ষের দুর্বলতাগুলোই শুধু মানুষের বেশি নজরে পড়ে। এ' অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সুবিধাবাদিতার আশ্রয় নেয়। বেছে বেছে শুধু নিজের অধিকারের কথাগুলোকেই ফোকাস করে নিজেকে ভিকটিম হিসাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতি হলো, কোনো দায়িত্ব পালন না করে অধিকার দাবী করা। সবচেয়ে ভালো হইলো নিজ দায়িত্ব সর্বোচ্চ পালন করে অধিকার দাবী করা। এই দুই প্রান্তিকতার মধ্যবর্তী অবস্থান হলো মিনিমাম লেভেলে নিজ দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার পাশাপাশি নিজের ন্যূনতম অধিকা

শনিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯

ব্লু-ইকোনমি বা সমুদ্র অর্থনীতি ও বাংলাদেশ।

ব্লু-ইকোনমি বা নীল বিপ্লব হচ্ছে সমুদ্র সম্পদ নির্ভর অর্থনীতি। ১৯৯৪ সালে অধ্যাপক গুন্টার পাউলি ভবিষ্যতের অর্থনীতির রূপরেখা প্রণয়নের জন্য একটি টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব মডেল হিসেবে ব্লু-ইকোনমির ধারণা দেন। . পৃথিবীর তিন ভাগ জল। পৃথিবীর দেশগুলো তাদের বর্তমান ও ভবিষ্যত চাহিদা মেটাতে তাকিয়ে আছে সমুদ্রবক্ষে সঞ্চিত সম্পদের দিকে। ২০৫০ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা হবে প্রায় ৯০০ কোটি। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর খাবার যোগান দিতে তখন সমুদ্রের মুখাপেক্ষী হতে হবে। . বিশ্ব অর্থনীতিতে সমুদ্র অর্থনীতি বহুবিধভাবে অবদান রেখে চলেছে। বছরব্যপী ৩ থেকে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কর্মকান্ড সংঘটিত হচ্ছে সমুদ্রকে ঘিরে। . বিশ্বের ৪ শ ৩০ কোটি মানুষের ১৫ ভাগ প্রোটিনের যোগান দিচ্ছে সামুদ্রিক মাছ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তু। . পৃথিবীর ৩০ ভাগ গ্যাস ও জ্বালানী তেল সরবরাহ হচ্ছে সমুদ্রতলের বিভিন্ন গ্যাস ও তেলক্ষেত্র থেকে। . সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জ্ঞান বৃদ্ধির মাধ্যমে সমুদ্র নির্ভর ঔষুধশিল্পও গড়ে তোলা সম্ভব। . সমগ্র বিশ্বে ক্রমশঃ ব্লু ইকোনোমি জনপ্রিয় হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে যতগুলো আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়েছে তার সবগুলোতেই ব্লু ইকোনোমি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। ২০১২ তে রিও+২০, সমুদ্র বিষয়ক এশীয় সম্মেলন, ২০১৩ সালে বালিতে অনুষ্ঠিত খাদ্য নিরাপত্তা এবং ব্লু গ্রোথ ইত্যাদি সম্মেলনের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অর্থনৈতিক সহায়তা এবং উন্নয়ন সংস্থা (OECD), জাতি সংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP), বিশ্ব ব্যঙ্ক, ফাউ (FAO), ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন (EU) সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার উন্নয়ণ কৌশলের মূলেও থাকছে ব্লু ইকোনোমি। . আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট বড় দেশ ব্লু ইকোনোমি নির্ভর উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন করছে। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় অর্থনীতির সিংহভাগ সমুদ্র নির্ভর। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটি এমনকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যে তার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করা গেলে সমুদ্র থেকে আহরিত সম্পদের মূল্যমান জাতীয় বাজেটের দশগুণ হবে। অপরদিকে অস্ট্রেলিয়া সমুদ্রসম্পদ থেকে বর্তমানে প্রায় ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে থাকে। আর ২০২৫ সাল নাগাদ এই আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ বিলিয়ন ডলারে। . বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে সমুদ্র নির্ভর ব্লু-ইকোনোমির বদৌলতে। সম্প্রতি সমুদ্র বিজয়ের পর খুলে গেছে নীল বিপ্লবের অপার দুয়ার।

শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৭


কালচক্র!♦♦
                           (বর্ণক্রমিক তিন শব্দে রচিত)              
                           বি.কে
   নগরে নগণ্য নাগরিক,
                    সমস্যা সমাধান সাময়িক।

   চলমান চর্চিত চালচিত্র,
                    মানব  মহীয়ান      মাত্র।

   লোকে লোকারণ্য লোকালয়,
                    নির্ধারণ    নির্মিত    নির্ণয়।

   সভ্যতা সংস্কৃতি সমাজ,
                    কল্পিত কলরব    কাজ।

   রাষ্ট্রে রচিত রম্য,
                    কাঙ্ক্ষিত  কল্পনা কাম্য।

   যথার্থ যথাযথ  যতন,
                     মহত্ত্ব মহানুভব মতন।

   রাজকূট রাজেন্দ্র রাজ্য,
                     নীতি নৈতিকতা নৈরাজ্য।

   আদর্শ আজন্ম আদান,
                     পরীক্ষিত পরিকল্পনা প্রদান।

    হত্যা হরণ হতাহত,
                     অন্যায় অনবরত অবিরত।

     ক্ষমতা ক্ষণিক ক্ষত,
                      গর্জন গহীনে    গত।

মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

রোহিঙ্গানির্যাতন-ইস্যুতে কি বাংলাদেশ ভয়ংকরভাবে অপরাজনীতির ও ষড়যন্ত্রের শিকার হতে যাচ্ছে?


রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশের বর্তমান সিদ্ধান্ত:
রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে কারও সমর্থন বা সিদ্ধান্ত পেয়েছে কি? পায়নি। আর বাংলাদেশ এব্যাপারে ভুল করছে নাতো? কারণ—
১. রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষে এখনও আন্তর্জাতিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত বা স্বীকৃতি মেলেনি।
২. জাতিসংঘ রোহিঙ্গা-শরণার্থীদের আশ্রয়প্রশ্রয়ের ব্যাপারে জাতিসংঘের স্বীকৃতি ও মধ্যস্থতার কোনো আভাস দেয়নি। এব্যাপারে জাতিসংঘের দায়িত্বে ও অধীনে কোনোপ্রকার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়নি।
৩. রোহিঙ্গা-শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে জাতিসংঘের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিশ্বের নীতিগত কোনো সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়নি। বাংলাদেশ আজও জানে না—শরণার্থী হিসাবে বাংলাদেশে আশ্রিত এই রোহিঙ্গারা কবে, কখন, কীভাবে আবার নিজদেশে ফিরবে! কিংবা এরা আদৌ ফিরতে পারবে কিনা?
৪. রোহিঙ্গা-ইস্যুটি দীর্ঘদিনের ও চলমান একটি বড়সড় সমস্যা। কিন্তু রোহিঙ্গা-ইস্যুতে আজ পর্যন্ত জাতিসংঘের কোনো অধিবেশনেই (সাধারণ ও নিরাপত্তা উভয়ই) আলাপ-আলোচনা হয়নি, এবং সমস্যাটি সমাধানের জন্যও কোনো নীতিগত-সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।
৫. ভবিষ্যতে জাতিসংঘ কি বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী-রোহিঙ্গাশরণার্থীদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপগ্রহণ করবে? স্বাধীনতার ৪৬বছর পরও বাংলাদেশরাষ্ট্র আটকেপড়া পাকিস্তানীনাগরিক তথা বিহারীদের আজও পাকিস্তানে ফেরত পাঠাতে পারেনি। এখানে, জাতিসংঘ কোনো ভূমিকা রাখেনি—আর রাখবেও না। আর এব্যাপারে বিশ্বসম্প্রদায়ের কেউ কোনো কথা বলেনি। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারেও যদি এমনটি ঘটে! এর দায়দায়িত্ব কে নিবে?
তবে কীসের ভিত্তিতে জঙ্গি-সমস্যাসঙ্কুল রাষ্ট্র বাংলাদেশ এতো-এতো রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং আরও দিবে? বিশেষ করে এই রোহিঙ্গাদের একটি শ্রেণী জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আবার এদের অনেকেরই রয়েছে অস্ত্রপ্রশিক্ষণ! তাহলে, এই বিপজ্জনক-পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার দায়দায়িত্ব কি শুধুই বাংলাদেশের? আর কারও কোনো দায়দায়িত্ব নাই?
আজকে দেখি, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ আরও কতিপয় মুসলিমরাষ্ট্র উঠেপড়ে লেগেছে, খুব তোড়জোড় করছে, এবং এরা একেকজন বিশ্বমিডিয়ার সামনে বড়-বড় কথা বলে খুব নেতাগিরি দেখাচ্ছে। কিন্তু এদের মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে কোনো কথা বলছে না। আর এসব ব্যাপারে আমেরিকা, সৌদিআরব, চীন, ভারত, পাকিস্তান একেবারে নীরব ও নিশ্চুপ। তবে সব দায় কি শুধু বাংলাদেশের? আমার মনে হয়: দেশের স্বার্থে আজ এসব ব্যাপারে আরও বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। মিয়ানমার এদের ফেরত নিতে না চাইলে বাংলাদেশ তখন কী করবে? ইতোমধ্যে মিয়ানমার নামক রাষ্ট্রটির সামরিকজান্তা-জারজরা বলেছে, “রোহিঙ্গারা বাঙালি সন্ত্রাসী!” তারা আরও বলেছে, “বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী যে-সব রোহিঙ্গার ‘বার্মার নাগরিকত্বসনদ’ আছে—তারাই শুধু দেশে (মিয়ানমারে) ফিরতে পারবে?” এটা কীভাবে সম্ভব? কারণ, অধিকাংশ রোহিঙ্গারই কোনো নাগরিকত্বসনদ নাই। তার কারণ, সামরিকজান্তারাই তো রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বাতিল করেছে। এখন তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে জানের ভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কাছে নাগরিকত্বসনদ চায় কীভাবে? তাই, বলছিলাম আজ যারা গলাবাড়িয়ে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে খুব উসৎসাহ দেখাচ্ছে তখন এইসব ক্ষণিকের মাতবরদের কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। তখন বাংলাদেশ এতো-এতো রোহিঙ্গাদের কীভাবে পুনর্বাসিত করবে? এব্যাপারে একবার ভেবে দেখেছেন কিছু?
রোহিঙ্গামুসলমানদের নিয়ে বাংলাদেশের কতিপয় ঘাতকসংগঠনসহ বিশ্বব্যাপী ষড়যন্ত্র ও অপরাজনীতি:
১. রোহিঙ্গামুসলমানদের একটি জঙ্গিসংগঠন রয়েছে। এই জঙ্গিসংগঠনের নাম: ‘আরসা অর্গানাইজেশন’। সম্প্রতি এই সংগঠনটি আইএস-জঙ্গিদের সঙ্গে মিলেমিশে মিয়ানমারের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত টহলরত পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে ১২জন পুলিশকে হত্যা করেছে। এসব কীসের আলামত? রোহিঙ্গাদের জঙ্গিশ্রেণীটি এখনও অপকর্মে লিপ্ত।
২. অতিসম্প্রতি রোহিঙ্গাদের জঙ্গিসংগঠন ‘আরসা অর্গানাইজেশন’-এর প্রধান-জঙ্গি হাফিজের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দাসংস্থা আইএসআই-এর প্রধানসহ ইরাকের এক আইএস-জঙ্গির ফোনকল রেকর্ড পাওয়া গিয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে এরা বাংলাদেশে জঙ্গিদেরও অনুপ্রবেশ ঘটাতে চায়। এদের এমনই একটি পরিকল্পনা রয়েছে।
৩. মিয়ানমারের কথিত রোহিঙ্গানির্যাতনের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান, সৌদিআরব একদম নীরব রয়েছে। আর এরা প্রত্যেকে ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনবাংলাদেশরাষ্ট্রের বিরোধিতাকারী। শুধু তুরস্ক সরব। আর তুরস্ক বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারে খুব সোচ্চার। কিন্তু আশেপাশে এতো দেশ থাকতে শুধু বাংলাদেশ কেন রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয় দিবে? চীন তো মিয়ানমারের পার্শ্ববর্তীরাষ্ট্র, এবং এরা খুব শক্তিশালী, আর বিশ্বের পাঁচটি পরাশক্তির একটি। তবুও তারা কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করছে