শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৭


কালচক্র!♦♦
                           (বর্ণক্রমিক তিন শব্দে রচিত)              
                           বি.কে
   নগরে নগণ্য নাগরিক,
                    সমস্যা সমাধান সাময়িক।

   চলমান চর্চিত চালচিত্র,
                    মানব  মহীয়ান      মাত্র।

   লোকে লোকারণ্য লোকালয়,
                    নির্ধারণ    নির্মিত    নির্ণয়।

   সভ্যতা সংস্কৃতি সমাজ,
                    কল্পিত কলরব    কাজ।

   রাষ্ট্রে রচিত রম্য,
                    কাঙ্ক্ষিত  কল্পনা কাম্য।

   যথার্থ যথাযথ  যতন,
                     মহত্ত্ব মহানুভব মতন।

   রাজকূট রাজেন্দ্র রাজ্য,
                     নীতি নৈতিকতা নৈরাজ্য।

   আদর্শ আজন্ম আদান,
                     পরীক্ষিত পরিকল্পনা প্রদান।

    হত্যা হরণ হতাহত,
                     অন্যায় অনবরত অবিরত।

     ক্ষমতা ক্ষণিক ক্ষত,
                      গর্জন গহীনে    গত।

মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

রোহিঙ্গানির্যাতন-ইস্যুতে কি বাংলাদেশ ভয়ংকরভাবে অপরাজনীতির ও ষড়যন্ত্রের শিকার হতে যাচ্ছে?


রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশের বর্তমান সিদ্ধান্ত:
রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে কারও সমর্থন বা সিদ্ধান্ত পেয়েছে কি? পায়নি। আর বাংলাদেশ এব্যাপারে ভুল করছে নাতো? কারণ—
১. রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয়ের ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষে এখনও আন্তর্জাতিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত বা স্বীকৃতি মেলেনি।
২. জাতিসংঘ রোহিঙ্গা-শরণার্থীদের আশ্রয়প্রশ্রয়ের ব্যাপারে জাতিসংঘের স্বীকৃতি ও মধ্যস্থতার কোনো আভাস দেয়নি। এব্যাপারে জাতিসংঘের দায়িত্বে ও অধীনে কোনোপ্রকার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়নি।
৩. রোহিঙ্গা-শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে জাতিসংঘের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিশ্বের নীতিগত কোনো সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়নি। বাংলাদেশ আজও জানে না—শরণার্থী হিসাবে বাংলাদেশে আশ্রিত এই রোহিঙ্গারা কবে, কখন, কীভাবে আবার নিজদেশে ফিরবে! কিংবা এরা আদৌ ফিরতে পারবে কিনা?
৪. রোহিঙ্গা-ইস্যুটি দীর্ঘদিনের ও চলমান একটি বড়সড় সমস্যা। কিন্তু রোহিঙ্গা-ইস্যুতে আজ পর্যন্ত জাতিসংঘের কোনো অধিবেশনেই (সাধারণ ও নিরাপত্তা উভয়ই) আলাপ-আলোচনা হয়নি, এবং সমস্যাটি সমাধানের জন্যও কোনো নীতিগত-সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।
৫. ভবিষ্যতে জাতিসংঘ কি বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী-রোহিঙ্গাশরণার্থীদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপগ্রহণ করবে? স্বাধীনতার ৪৬বছর পরও বাংলাদেশরাষ্ট্র আটকেপড়া পাকিস্তানীনাগরিক তথা বিহারীদের আজও পাকিস্তানে ফেরত পাঠাতে পারেনি। এখানে, জাতিসংঘ কোনো ভূমিকা রাখেনি—আর রাখবেও না। আর এব্যাপারে বিশ্বসম্প্রদায়ের কেউ কোনো কথা বলেনি। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারেও যদি এমনটি ঘটে! এর দায়দায়িত্ব কে নিবে?
তবে কীসের ভিত্তিতে জঙ্গি-সমস্যাসঙ্কুল রাষ্ট্র বাংলাদেশ এতো-এতো রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং আরও দিবে? বিশেষ করে এই রোহিঙ্গাদের একটি শ্রেণী জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আবার এদের অনেকেরই রয়েছে অস্ত্রপ্রশিক্ষণ! তাহলে, এই বিপজ্জনক-পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার দায়দায়িত্ব কি শুধুই বাংলাদেশের? আর কারও কোনো দায়দায়িত্ব নাই?
আজকে দেখি, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ আরও কতিপয় মুসলিমরাষ্ট্র উঠেপড়ে লেগেছে, খুব তোড়জোড় করছে, এবং এরা একেকজন বিশ্বমিডিয়ার সামনে বড়-বড় কথা বলে খুব নেতাগিরি দেখাচ্ছে। কিন্তু এদের মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে কোনো কথা বলছে না। আর এসব ব্যাপারে আমেরিকা, সৌদিআরব, চীন, ভারত, পাকিস্তান একেবারে নীরব ও নিশ্চুপ। তবে সব দায় কি শুধু বাংলাদেশের? আমার মনে হয়: দেশের স্বার্থে আজ এসব ব্যাপারে আরও বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। মিয়ানমার এদের ফেরত নিতে না চাইলে বাংলাদেশ তখন কী করবে? ইতোমধ্যে মিয়ানমার নামক রাষ্ট্রটির সামরিকজান্তা-জারজরা বলেছে, “রোহিঙ্গারা বাঙালি সন্ত্রাসী!” তারা আরও বলেছে, “বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী যে-সব রোহিঙ্গার ‘বার্মার নাগরিকত্বসনদ’ আছে—তারাই শুধু দেশে (মিয়ানমারে) ফিরতে পারবে?” এটা কীভাবে সম্ভব? কারণ, অধিকাংশ রোহিঙ্গারই কোনো নাগরিকত্বসনদ নাই। তার কারণ, সামরিকজান্তারাই তো রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বাতিল করেছে। এখন তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে জানের ভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কাছে নাগরিকত্বসনদ চায় কীভাবে? তাই, বলছিলাম আজ যারা গলাবাড়িয়ে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে খুব উসৎসাহ দেখাচ্ছে তখন এইসব ক্ষণিকের মাতবরদের কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। তখন বাংলাদেশ এতো-এতো রোহিঙ্গাদের কীভাবে পুনর্বাসিত করবে? এব্যাপারে একবার ভেবে দেখেছেন কিছু?
রোহিঙ্গামুসলমানদের নিয়ে বাংলাদেশের কতিপয় ঘাতকসংগঠনসহ বিশ্বব্যাপী ষড়যন্ত্র ও অপরাজনীতি:
১. রোহিঙ্গামুসলমানদের একটি জঙ্গিসংগঠন রয়েছে। এই জঙ্গিসংগঠনের নাম: ‘আরসা অর্গানাইজেশন’। সম্প্রতি এই সংগঠনটি আইএস-জঙ্গিদের সঙ্গে মিলেমিশে মিয়ানমারের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত টহলরত পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে ১২জন পুলিশকে হত্যা করেছে। এসব কীসের আলামত? রোহিঙ্গাদের জঙ্গিশ্রেণীটি এখনও অপকর্মে লিপ্ত।
২. অতিসম্প্রতি রোহিঙ্গাদের জঙ্গিসংগঠন ‘আরসা অর্গানাইজেশন’-এর প্রধান-জঙ্গি হাফিজের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দাসংস্থা আইএসআই-এর প্রধানসহ ইরাকের এক আইএস-জঙ্গির ফোনকল রেকর্ড পাওয়া গিয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে এরা বাংলাদেশে জঙ্গিদেরও অনুপ্রবেশ ঘটাতে চায়। এদের এমনই একটি পরিকল্পনা রয়েছে।
৩. মিয়ানমারের কথিত রোহিঙ্গানির্যাতনের বিরুদ্ধে আমেরিকা, চীন, পাকিস্তান, সৌদিআরব একদম নীরব রয়েছে। আর এরা প্রত্যেকে ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনবাংলাদেশরাষ্ট্রের বিরোধিতাকারী। শুধু তুরস্ক সরব। আর তুরস্ক বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারে খুব সোচ্চার। কিন্তু আশেপাশে এতো দেশ থাকতে শুধু বাংলাদেশ কেন রোহিঙ্গাদের আশ্রয়প্রশ্রয় দিবে? চীন তো মিয়ানমারের পার্শ্ববর্তীরাষ্ট্র, এবং এরা খুব শক্তিশালী, আর বিশ্বের পাঁচটি পরাশক্তির একটি। তবুও তারা কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করছে

মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭

SSC English Suggestion -2018


SSC English Suggestions 2018 (First and Second Paper)
By  Aminul Islam Shohail Dated  August 20, 2017
acebook



Hello students! Hope you are doing fine. You have already passed 20 months of your 25 months course of SSC program. And your Test Exam is very soon!

So, what are you thinking now of your performance in the Test Exam? Remember, this is the Test Exam. Even if one subject is missed, you will not be allowed to sit for the SSC Exam. That's why your preparation should be well enough to fight the battle!

And English is a foreign language. It is also one of the toughest subjects for the Bangladeshi students. So, you should give some extra effort for this subject. Both English 1st and 2nd papers are of 100 marks each. To attain GPA 5 in these two papers, you have to achieve 80 marks average. Don't worry. Here is a suggestion for making your learning quite smoother. You have already finished most of the writing part items. I have just compiled them together so that you can review which them, and find which ones are yet to learn. You can also find JSC Examination suggestions 2017 here.

I am including here the writing items, seen passages. You can find all other reading items and the grammar items in exercise sections. Soon I am going to add them here too for your smoother practice. So, start practicing today. And success is waiting for you. Good luck!


English First Paper 2018 (Writing only)

Seen Passages:(Question No.: 1&2 - MCQ & Q/A)



Paragraphs: Marks 10

1.       A school Magazine***
2.       A Rainy day*
3.       Environment Pollution*
4.       A book fair*
5.       A school library*
6.       A winter morning***
7.       A street Hawker***
8.       Traffic Jam**
9.       Life of a farmer/day labourer***
10.    A Rickshaw puller*




Completing story: Marks 10

1.       Unity is strength***
2.       Bayezid’s Love for mother***
3.       Slow and steady wins the race***
4.       A liar shepherd/cowboy
5.       Honesty is the best policy(woodcutter)*
6.       Two friends and a bear*
7.       A fox without a tail*
8.       What is play to one is death to others*
9.       Robert Bruce**
10.    Grasp all, lose all**
11.    A lion and a mouse



Describing Graph or Chart: Marks 10

1.       Mobile phone users
2.       Literacy and illiteracy rate
3.       Temperature
4.       Population growth
5.       Results of different exams
6.       Changing trends of young people
7.       Family’s household expenditure



Informal Letters/E-mails: Marks 10

1.       What you intend to do after S.S.C. exam***
2.       About your progress in studies/ preparation for the exam***
3.       Experience of visiting a new/historical place
4.       Thanking for hospitality/ for a nice gift*
5.       Describing prize giving ceremony
6.       About your country
7.       How to improve proficiency in English**
8.       Advising to give up smoking/bad effect of smoking***
9.       To younger brother to be serious to study**
10.    Describing a picnic you have enjoyed**
11.    Describing the co-curricular activities*
12.    Inviting friend on your sister’s marriage ceremony**



Dialogues: Marks 10

1.       Importance of reading newspaper***
2.       Importance of developing life-skills
3.       Importance of education/learning English/ computer
4.       Bad effect of smoking***
5.       Importance of morning walk/physical exercise/early rising**
6.       How to eradicate illiteracy**
7.       Merits and demerits of mobile phone***
8.       Aim in life/ choice of career***
9.       Between doctor and a patient*
10.    







English Second Paper 2018(Writing only)




5.      

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

তুফান -ছোট গল্প--বি.কে


তুফান - ছোট গল্প

 পাহাড়ের পথ বেয়ে চলছে আনমনে তুফান। তুফান নামের ইতিহাস আছে, তা হল কোন এক বড় তুফানে তার বাবা-মার প্রাণ নেয়। সেও তুফান নামে বেজার,  কিন্তু কেউ একজন ছোটকালে তার নাম রাখল তুফান। এভাবে তার নাম হল তুফান। দিন কাটে অন্যের বাড়িতে কাজ করে। কি করবে তার এই কালে আর কেউ নেয়। মনে মনে অনেক কষ্ট
তুফানের। তারও মন চাই স্কুলে যেতে, মাঠে খেলা করতে,  কিন্তু ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা তাকে বঞ্চিত করেছে সব আনন্দ থেকে।
 তুফানের দিন শুরু হয় গরুদের বিষ্ঠা পরিস্কার করে।তা না হলে মাসীমা যে ভাত  বন্ধ রাখবে, গায়ে হাত তুলবে। সকালে সবাই খেয়ে বাচলে খেতে পারবে তুফান।কোন সময় খেতেও পারে না।  মাসীমা বলে,  তোর খেতে নেই, কাজ কর। তুফানের মাঝে মাঝে মনে হয় পৃথিবী কেন এত স্বার্থপর। কেন এত নিষ্ঠুর।
বিকালে একটু খেলা করতে সময়  পায় বিরলের সাথে। তার আপন বন্ধু বলতে  আছে বিরল। সুখ দুঃখ ভাগ করে দুজনে। বিরল স্কুলে পড়ে।.........!